এক কল্যাণের সূচনা

গত শতকের শেষ | পর্বে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি বিবিধবিদ্যাসংগ্রহ গ্রন্থমালা প্রকাশ করতে শুরু করে। সপ্তম বইয়ের বিষয় ছিল প্রাচীন ভারতবর্ষে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি। তার দেড় দশক আগে সায়েন্স অ্যান্ড সোসাইটি ইন এনশেন্ট ইন্ডিয়া (১৯৭৭) লিখে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। আশ্চর্য সমাপতন, সেই সংহত, মূল্যবান পুস্তিকাটির নামও ছিল প্রাচীন ভারতে চিকিৎসাবিজ্ঞান (১৯৯২)। লেখক ছিলেন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী তথা দার্শনিক। সেই সূত্রেই তাঁর আলোচনার মূল অভিমুখ নির্ধারিত। ‘ভূমিকা’-য় তিনি সে-কথা জানিয়েছিলেন, 'ধর্মশাস্ত্র নামে দেশের আইন গ্রন্থগুলিতে বারবার চিকিৎসক ও তাঁদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে তীব্র বিদ্বেষ আমাকে বিশেষ কৌতূহলী করে। মানবকল্যাণের পক্ষে অপরিহার্য এই বিদ্যার বিরুদ্ধে আইনকারদের [বা, ধর্মশাস্ত্রকারদের] অমন ঘৃণা কেন? বিষয়টি বোঝবার আশায় [চরক ও সুশ্রুত] সংহিতা দুটি পড়ে দেখবার আগ্রহ প্রবল হয়।' পুস্তিকাটির সমনামী আলোচ্য এই গ্রন্থটিরও এক বড় অংশ আবর্তিত এই ক্ষোভকে কেন্দ্র করে: সংহিতাদ্বয়ে বিজ্ঞান ও অবিজ্ঞানের অদ্ভুত সহাবস্থান, উচ্চ-নীচ নির্বিশেষে সকল বর্ণের চিকিৎসা করার দায়ে ভিষকদের অপবিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা ইত্যাদি। কিন্তু তা ছাড়াও এই গ্রন্থের আলোচ্য বিষয় আরও অনেক বিস্তৃত। এখানে সংহিতাদ্বয় ছাড়াও সিন্ধু সভ্যতার চিকিৎসা, বৌদ্ধ চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়েও তথ্য খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে।
This story is from the January 17, 2025 edition of Desh.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber ? Sign In
This story is from the January 17, 2025 edition of Desh.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber? Sign In

জগতের আনন্দ যজ্ঞে
ভ্রমণে মনের আনন্দ ছাড়া স্বাস্থ্যের উন্নতিও ঘটে। মুক্তির আনন্দ পেতে দেশ-বিদেশের বহু মানুষ বেরিয়ে পড়েন অজানার সন্ধানে। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ নিজেকে সমৃদ্ধ করে, নিজস্ব গণ্ডির বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে অভ্যস্ত হয়।

এ মোহ আবরণ
বেঁচে থাকার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি বস্তুগত সমৃদ্ধি দুনিয়াসুদ্ধু সকলকে দেখিয়ে দেওয়া!

বাঙালির কতটুকু মনমোহন?
গত বছর আমরা হারালাম বেশ কয়েকজন গুণী রাজনীতিবিদকে, যাঁদের মধ্যে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং সীতারাম ইয়েচুরির মতো নেতাদের স্মরণ করা অত্যন্ত জরুরি। মনমোহন সিংহের মতো নেতার অবদান অমূল্য, যদিও তিনি জনগণের কাছে তেমন পরিচিত ছিলেন না।

সংস্কারক
মনমোহন খোলাখুলি জানিয়ে দিলেন, সঙ্কট থেকে মুক্তির জন্য কিছু পদক্ষেপ করতে হবে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লেগে যাবে। রাজকোষ ঘাটতিতে লাগাম পরাতে, শিল্পনীতিতে আমূল পরিবর্তন, অর্থনীতির উদারীকরণের জন্য যা যা করার, সব করা হবে।

রত্নগর্ভা
প্রবালের প্রশ্নে শান্ত, স্থির কিন্তু গভীর ছিল কিছু একটা। রত্না একদমই বিরক্তি অনুভব করলেন, তবে আজ আর কিছু বললেন না।

এক মেধাবী রাজনীতিক
সাউথ ব্লকের সামনে রাইসিনা হিলে পরমাণু চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের হইচইয়ের মধ্যে দেশের রাজনীতি বদলে গিয়েছিল। মনমোহন সিংহের দৃঢ় নেতৃত্বে ভারত-আমেরিকা পরমাণু চুক্তি ইতিহাস সৃষ্টি করে, যা বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থান দৃঢ় করে।

একটি প্রস্তাব এবং
গ্রীষ্মের দুপুরে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে একাকী বসে মোবাইলে ওয়েবসাইট ঘাঁটছিল বর্ষা। ইমেইলে হঠাৎ নির্ঝরের মেসেজ পেয়ে তার মনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল, যেন পুরনো প্রেম ফিরে এসেছে।

খাদকদেবতা
পৌষের হিমেল অন্ধকারে গৌড়বঙ্গের এক পল্লিগ্রামে কালকেতুর তীক্ষ্ণ চোখে ফুটে ওঠে এক ক্রূর হাসি, আর অন্ধকারে প্রবেশের অপেক্ষা। এক গভীর বাসনার প্রভাবেই তার শরীর থেকে মুক্তি পেয়ে সূক্ষ্ম অবস্থানে ধীরে ধীরে চলে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

চালচিত্র
ভাল অভিনয় ও স্মার্ট মেকিং ছবিটিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। হত্যাকারীর মনস্তত্ত্বের গভীরে প্রবেশ করেন দর্শক।

স্বাস্থ্য ক্রমশ অস্বাস্থ্যকর
স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এই রাজ্যের ঘটনাপরম্পরা আবারও ইঙ্গিত করছে যে, অবস্থার অবনতি হয়েই চলেছে।