চেনা-অচেনা উত্তরবঙ্গে

ওক্স চা-বাগান দার্জিলিং যাওয়ার রাস্তায় টুং পেরিয়ে, সোনাদা পেট্রোল পাম্পের পাশের রাস্তায় ঢুকে পড়ুন । ঘিঞ্জি, অপরিসর রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় কিলোমিটার। পথে পড়বে পাহাড়ি গ্রাম— ভালুটার, মুন্ডা বস্তি, মিলিং বস্তি, নালি চর, পাচেং। সারি সারি বাক্সবাড়ি পার হয়ে গাড়ি এসে দাঁড়াবে এক চা-বাগানের সামনে। ইংরেজ আমলের কারখানা আজও সক্রিয়। চা-কারখানার পাশ দিয়ে কিছুটা গেলেই ওক্স গ্রাম। এখানে রয়েছে সুন্দর এক হোমস্টে। হোমস্টে থেকে সুবিস্তৃত চা-বাগান দেখা যায়। ভোরের প্রথম রবিকিরণ এসে পড়ে চা-বাগানের সবুজ গালিচায়। গুনগুনিয়ে গান গাইতে গাইতে টিপাই করতে আসেন আশপাশের গ্রামের মহিলারা। চা-বাগানের মধ্য দিয়ে রাস্তা গিয়েছে, হেঁটে চলুন সে পথে, ক্লান্ত হলে চা-বাগানের ধারে রাখা বেঞ্চে বসে পড়ুন। রাতের চা-বাগান আরও মোহময়ী। আকাশে অজস্র তারার ভিড়। পাহাড়ে মিটমিটে আলোর পুঞ্জ। দার্জিলিং জেলার দার্জিলিং সাব-ডিভিশনের এই চা-বাগানের নাম, ওক্স চা-বাগান। পাশেই রম্বুক, রিংটং। এরাও চা-বাগান। কিছুটা দূরে বালাসন নদী। এখান থেকে ডানদিক বরাবর টাইগার হিল, রংবুল, কালেজ ভ্যালি, মিলিং চা-বাগান, ধোত্রিয়া চা-বাগান, সোমরিপানি চা-বাগান, পোখরিয়াবং, ঘুম স্টেশন, লেপচাজগত, পুপুং বস্তি, সুখিয়াপোখরি, এমনকী সান্দাকফুর তুমলিংকেও দেখা যায়। বাঁদিকে নীচে মিরিক। আর রয়েছে অরেঞ্জ ভ্যালি।
দেখে নিন এখান থেকে দেখে নিন, রেইনবো ফলস— স্থানীয় নাম ইন্দ্রাণী ছাগো বা ইন্দ্রাণী ফলস, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, তাবাকোশি, হ্যাঙ্গিং ব্রিজ, তাবাকোশি চা-বাগান, পেশকের চা-বাগান। কীভাবে যাবেন কলকাতার দিক থেকে এনজেপি আসার প্রচুর ট্রেন আছে। এনজেপি থেকে সরাসরি গাড়িতে ওক্স চা-বাগান আসতে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা মতো সময় লাগে। টি কটেজে আগাম জানিয়ে রাখলে তাঁরাই গাড়ির ব্যবস্থা করে দেন। সেক্ষেত্রে গাড়িভাড়া পড়বে ৩,৫০০ টাকা। তেলের দাম কমা বাড়ার উপর গাড়িভাড়াও ওঠা-নামা করে। কম খরচে আসতে চাইলে এনজেপি থেকে শেয়ারের গাড়িতে সোনাদা চলে আসুন। সোনাদা থেকে ওক্স চা-বাগান ছয় কিলোমিটার। আগাম জানিয়ে রাখলে সোনাদা থেকেও টি কটেজের গাড়িতে ওক্স চা-বাগান নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হয়। সেক্ষেত্রে গাড়িভাড়া পড়বে ৫০০১,০০০ টাকা।
Esta historia es de la edición March 2025 de Bhraman.
Comience su prueba gratuita de Magzter GOLD de 7 días para acceder a miles de historias premium seleccionadas y a más de 9,000 revistas y periódicos.
Ya eres suscriptor ? Conectar
Esta historia es de la edición March 2025 de Bhraman.
Comience su prueba gratuita de Magzter GOLD de 7 días para acceder a miles de historias premium seleccionadas y a más de 9,000 revistas y periódicos.
Ya eres suscriptor? Conectar

ইয়েলবং
গুহার মধ্যে রুমতি নদীর পাথুরে খাতে হাঁটুজলে বুকজলে হাঁটা, উপর থেকে ঝরে পড়া নদীর জলে ভিজে যাওয়াইয়েলবংয়ে নদীখাত পদযাত্রার সেরা সময় মার্চ-এপ্রিল।

চোপতা তুঙ্গনাথ আউলি গরসন বুগিয়াল
হরিদ্বার থেকে দেবপ্রয়াগ, রুদ্রপ্রয়াগ, কুণ্ড হয়ে চোপতা। চোপতা থেকে তুঙ্গনাথ, চন্দ্রশিলা। তারপর যোশিমঠ থেকে বদ্রীনাথ, আউলি হয়ে গরসন বুগিয়াল। গাড়োয়ালের নিসর্গপথে বেড়ানোর সেরা সময় গ্রীষ্মকাল।

ভাগামনের চা-বাগানে
চা-বাগান, বুগিয়াল আর পাইনবনে ছাওয়া গাঢ় সবুজ ভাগামনে সারাবছর যাওয়া চলে। গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করে। ভাগামনের বাড়তি পাওনা প্যারাগ্লাইডিং।

নতুন পথে গোকিও হ্রদ অভিযান
থোনাক লা (৫,৪১৬ মিটার) আর রেঞ্জো লা (৫,৪৩৫ মিটার)-য় দাঁড়িয়ে সোজা তাকালে আকাশের গায়ে ঝকঝক করে এভারেস্ট শৃঙ্গ, আর চোখ নামালে হিমালয়ের নীলকান্তমণি গোকিও হ্রদ। এভারেস্টের পাড়ায় দু'দিক থেকে গোকিও হ্রদ অভিযানের সেরা সময় গ্রীষ্মকাল।

একুশে ফেব্রুয়ারি
১৯৯৮ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির রাতে, গাজী সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে আনিসুজ্জামানের সঙ্গে গভীর আলোচনার পর, ঢাকা শহরের রাস্তায় বাঙালির একুশের মিছিলের অংশ হিসেবে মাতৃভাষার জন্য রক্তদান করা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে ফুলের পাহাড়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলাম।

রণথম্ভোরের রাজকাহিনি
রণথম্ভোর অরণ্যে যাওয়া চলে ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন। তবে, গ্রীষ্মে প্রখর দাবদাহ সহ্য করে জলের ধারে অপেক্ষা করলে বাঘের দেখা পাওয়ারই কথা।

মেঘালয় ভ্রমণ
একের পর এক জলপ্রপাত, হ্রদ, নদী, রুট ব্রিজ, প্রাকৃতিক গুহা— সব কিছু নিয়ে মেঘালয় প্রাকৃতিক সম্পদের এক অফুরন্ত ভাণ্ডার। বেড়ানোর সেরা সময় মার্চ থেকে জুন। তাপমাত্রা এ-সময় ১৬ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করে।

হাব্বা খাতুনের দেশে
কাশ্মীরের চেনাপথ ছেড়ে এক অচেনা কাশ্মীর ভ্রমণ। মারশেরি, বাঙ্গাস, লোলাব, মচ্ছল ও গুরেজ উপত্যকা। গুরেজ উপত্যকায় যেতে হলে যে গিরিবা পেরতে হয়, সেই রাজদান পাস শীতের মাসগুলোয় বরফে ঢাকা থাকে।

লিপুলেখ থেকে কৈলাস পর্বত দর্শন
কুমায়ুন হিমালয়ের লিপুলেখ গিরিবর্তে দাঁড়ালে দেখা যায় সুদূর তিব্বতের কৈলাস পর্বত। গাড়ি চলে যায় লিপুলেখ পাস পর্যন্ত। তবে, লিপুলেখ পাসে যেতে সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক অনুমতি লাগে। নাবি থেকে নাভিধাং হয়ে লিপুলেখ পাস ৩০ কিলোমিটার । নাবি থেকে আরেক পথে জলিংকং হয়ে আদি কৈলাসও ৩০ কিলোমিটার। পার্বতী সরোবরের ধারে আকাশ আলো করে দাঁড়িয়ে আছে আদি কৈলাস।

আয়ারল্যান্ডের পথে-প্রান্তরে
সাগর, নদী, হ্রদ, আদিগন্ত ঢেউখেলানো সবুজ উপত্যকা, প্রাচীন সব দুর্গ, প্রাসাদ, আড্ডাখানা নিয়ে আয়ারল্যান্ড গ্রীষ্মে ভারি মনোরম।