গত বছর মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমাদের এভারেস্ট বেস ক্যাম্প যাত্রা। পৃথিবীর সাতটি মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (সপ্ত শৃঙ্গ) ও সর্বোচ্চ সপ্ত আগ্নেয়গিরি জয়ী, কনিষ্ঠতম আরোহণকারী ও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত এই অভিযানের মূল আয়োজক। আমরা কলকাতা ও বেঙ্গালুরু থেকে মোট ১৭ জন এভারেস্টের দক্ষিণ বেস ক্যাম্প ট্রেকিংয়ে অংশগ্রহণ করি। দলে ১৩ বছর থেকে ৬২ বছর বয়সি সদস্যরা ছিলেন। পুরো সফরের মেয়াদ ছিল ১৪ থেকে ৩০ মে। এভারেস্ট জয়ের ৭০ বছর পূর্তির দিনটিকে বিশেষ ভাবে স্মরণীয় করে রাখতে তেনজিং নোরগের পুত্র জামলিং নোরগে, এডমন্ড হিলারির পুত্র পিটার হিলারি, বিখ্যাত পর্বতারোহী রেনল্ড মেসনার, সত্যরূপ সিদ্ধান্ত প্রমুখ বিশিষ্ট জন নামচেবাজারের কাছে খুনদে গ্রামে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
যাত্রা শুরু ১৪ মে, ২০২৩, রবিবার। কলকাতা থেকে নেপালের বিমানে কাঠমান্ডু পৌঁছই দুপুর ১টা ২০ মিনিটে। কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমাদের অভ্যর্থনা জানান সত্যরূপ। নেপালের সময় ভারতীয় সময় থেকে ১৫ মিনিট এগিয়ে। ‘কাঠমান্ডু গার্ডেন হোম’ হোটেলে আমাদের রাত্রিবাসের ব্যবস্থা। পশুপতিনাথের দর্শন করে নিলাম। বিকেলে থামেল মার্কেটে ফোনের নেপালি সিম কিনলাম ও প্রয়োজন মতো নেপালি মুদ্রা সংগ্রহ করলাম। ১০০ টাকার বিনিময়ে পাওয়া গেল ১৬০ নেপালি মুদ্রা।
Bu hikaye Bhraman dergisinin May 2024 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber ? Giriş Yap
Bu hikaye Bhraman dergisinin May 2024 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber? Giriş Yap
শাতের মেলা-পার্বণ
গুজরাত পর্যটন বিভাগ প্রতি বছর রণ উৎসব বা হোয়াইট ডেজার্ট ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করে। কচ্ছ জেলার ধরদো গ্রামে এই উৎসব হয়। বিশেষ করে পূর্ণিমার রাতে সাদা মরুভূমির অপরূপ সৌন্দর্য দেখার জন্য পর্যটকের ভিড় বেড়ে যায়। বিলাসবহুল তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা এবং গুজরাতি লোকনৃত্য, লোকসংগীত, চিত্রকলা ও প্রাদেশিক খাবারের সমারোহ এই উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ।
শীতের দিনে সপ্তাশেষে
/ গোবর্ধনপুর / গোপালপুর / আদিত্যপুর / পুরুলিয়ার টিকড়টাঁড়ের আড়াল কানালি /কুকি ড্যাম /জাজাহাতু /মাছকান্দা ঝরনা
তুষারচিতার খোঁজে শীতের স্পিতি উপত্যকায়
শীতে খাবারের খোঁজে স্নো-লেপার্ডরা নেমে আসে হিমাচলের স্পিতি উপত্যকায়। বরফজমা উপত্যকায় এ-সময় আরও নানা বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। এবছরের ফেব্রুয়ারি মাসের অভিজ্ঞতা।
শীতে সাত সমুদ্রে
/কারোয়ার / দেববাগ / মাইপাড়ু /কোভালম / ভারকালা / লাক্ষাদ্বীপ / হ্যাভলক
ওরিয়া উৎসবে ওয়াক্কা
শীতের শেষে অরুণাচলের অচিন গ্রাম ওয়াক্কা মেতে ওঠে ওরিয়া উৎসবে। এবারের ওরিয়া উৎসব ১৬ ফেব্রুয়ারি।
শীতের কাজিরাঙা
কাজিরাঙার রোমাঞ্চময় জঙ্গলে মিঠে রোদে ঠান্ডা হাওয়ায় অপরূপ নিসর্গের মাঝে গন্ডার, হুলক গিবন, বাঘ, হাতি, বুনো মহিষ আর অসংখ্য পাখি দেখার আনন্দ পেতে চাইলে যেতে হবে শীতেই। মস্ত বড় এলিফ্যান্ট গ্রাসের আড়ালে হাতিও তখন ঢাকা পড়ে যায়।
শীতের কাশ্মীরে সাধনা টপ
শীতেই চলুন শীতের দেশে। শীতের আনন্দ সেখানেই। শীতের কাশ্মীরে চেনা পথে যদি বরফ না পান, চলে যেতে পারেন অল্পচেনা সাধনা টপে।
শীতের পাখি দেখতে কুমায়ুন থেকে গাড়োয়াল
গাড়োয়াল আর কুমায়ুন পাহাড় এমনিতেই হিমালয়ের পাখিদের স্বর্গরাজ্য। শীতে বেশি উচ্চতার পাখিরাও নেমে আসে সাততাল, মানিলা, মকুমঠ, চোপতা, তুঙ্গনাথে। শীতের পাহাড় পাখি-দেখিয়েদেরও স্বর্গ।
জিঞ্জি দুর্গ দেখে পিছাভরম
জেনে রাখুন পিছাভরমে সংকীর্ণ খাঁড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে চাইলে এবং গহীন অরণ্যের স্বাদ নিতে হলে হাতে দাঁড় টানা ছোট নৌকা সবচেয়ে উপযোগী। এটি অনেকটা ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। বড় নৌকার ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। /৪৫ মিনিটের জন্য চারজনের ক্ষেত্রে ছোট দাঁড় টানা নৌকার খরচ ৪০০ টাকা এবং ৮ জনের মোটর বোটে টিকিট মূল্য ৮০০ টাকা। / কাদিয়াম্পালয়াম গ্রাম থেকে প্রাইভেট ফিশিং বোটে নৌসফর করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন: আনবো ৯৭৮৬৭-৬7287
জমাট শীতে উত্তরবঙ্গের গ্রামে গ্রামে
সবুজ চা-বাগানে ঘেরা নিস্তরঙ্গ গ্রাম, ফলে ভরা কমলালেবু বাগান, বৃষ্টি ধোয়া আকাশে হেসে ওঠা কাঞ্চনজঙ্ঘা, ডিসেম্বরের জমাট শীতে উত্তরবঙ্গের ভ্রমণকথা।