‘জানুয়ারির শেষে ওই ঠান্ডায় অত উঁচুতে সারভাইভ করতে পারবে তো?’ ‘অত পয়সা খরচ করে গিয়ে আদৌ যাকে দেখতে যাচ্ছ তা দেখতে পাবে?’ ‘ভাই অত খরচা করে যাওয়ার থেকে আফ্রিকা ঘুরে আসা ভালো।'
‘ওই ঠান্ডায় ক্যামেরার গিয়ারগুলো আদৌ কাজ করে কিনা একটু খোঁজখবর নিস। তারপর ওখানে গিয়ে দেখলি ক্যামেরার লেন্স কাজ করছে না। পুরো ট্যুর কিন্তু জলে চলে যাবে।'
জানুয়ারি শেষে হিমাচলের স্পিতি যাব স্নো লেপার্ড বা তুষার চিতা দেখতে— একথা যখন জানিয়েছিলাম, বন্ধুবান্ধব, পরিবার-পরিজন আর সিনিয়রদের, উপরের কথাগুলোই ছিল তাঁদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া আর উপদেশ। নিজের দোনামনা ভাব আর পারিপার্শ্বিক ভয় আশঙ্কা কাটিয়ে বেরিয়ে পড়লেও বুক ঢিপঢিপ একটু ছিলই। আমার উপর নির্ভরশীল তিন নারী— ৬৫ বছরের মা, আমার স্ত্রী আর এক বছরের কন্যাকে ফেলে যখন চললাম কলকাতায় গড় তাপমাত্রা তখন ১৫ ডিগ্রি। আর স্পিতির চিচাম গ্রামের গড় তাপমাত্রা মাইনাস পনেরো! ওই গ্রামেই থাকব আমি। তাই যাওয়ার আগে প্রচুর পোশাক যেমন ডাউন জ্যাকেট, ফ্লিস, ট্রেকিং প্যান্ট, ট্রেকিং জুতো, গেটার, বালাকাভা, গ্লাভস, স্পেশাল উলের মোজা, ওয়াটারপ্রুফ মোজা কিনতে হয়েছিল ওই কঠিন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে।
বিমানে কলকাতা থেকে চণ্ডীগড়। তারপর গাড়িতে চণ্ডীগড় থেকে রামপুর। সেখান থেকে টাবো কাজা হয়ে চিচাম গ্রাম, এই ছিল আমাদের যাত্রাপথ। বলেই দেওয়া হয়েছিল চিচামের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে মাইনাস পনেরোর আশপাশে আর সর্বনিম্ন মাইনাস ২৫। তাই অত পোশাক কেনা আর জোগাড় করা। কলকাতা থেকে চারজন—ববিদা, সঞ্জয়দা, পার্থদা আর আমি। চণ্ডীগড় থেকে যোগ দিল আরও দু’জন, সুমন আর সাই। ববিদা, সঞ্জয়দা ডাক্তার মানুষ আর আমার পূর্ব পরিচিত তাই বোধহয় বাড়ি থেকে একটু ভরসা পেয়েছিল। পার্থদাও আমার বহুদিনের পরিচিত, চিচামে পার্থদাই ছিলেন আমার রুম পার্টনার।
Bu hikaye Sukhi Grihakon dergisinin September 2022 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber ? Giriş Yap
Bu hikaye Sukhi Grihakon dergisinin September 2022 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber? Giriş Yap
চিৎকার করে বলেন ‘প্যাক আপ!’
কোনও শিল্পীর হেয়ার, ড্রেস, মেকআপ নিয়ে রাজজি শুধু নিজের পছন্দটাই দেখতেন না, শিল্পী নিজে কতটা সন্তুষ্ট এবং খুশি, তাও জিজ্ঞেস করতেন। কাউকে জোর করে কাজ করাতে রাজজি পছন্দ করতেন না।
হিন্দি ছবি করবেন?
একসময় তাঁকে ব্ল্যাঙ্ক চেক দিতে চেয়েচিলেন রাজ কাপুর। তাও বন্ধে যাননি নায়িকা। সেসব স্মৃতি আজও বড় তাজা মাধবী মুখোপাধ্যায়-এর কাছে। লিখলেন নানা কাহিনি।
লোভ দিস গার্ল!, কমপ্লিমেন্ট দিয়েছিলেন রাজ সাহেব'
তাঁর ‘পাপাজি’কে নিয়ে স্মৃতির ঝাঁপি উপুড় করলেন অভিনেত্রী মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়।
‘সিমি, ছবি করার জন্য ভালোবাসা চাই...
সিনেমার কথাই ভাবতেন সবসময়। এব্যাপারে রাজ কাপুরের প্যাশনের কোনও শেষ ছিল না। কিংবদন্তিকে নিয়ে লিখেছেন সিমি গারেওয়াল।
আমার সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্ক ছিল!
রাজ সাহেবের ‘ফ্যান' হয়ে গিয়েছিলাম। লিখছেন জিনত আমন।
এভাবে কলকাতার মেয়েরা চুল বাঁধে না!
বাংলা ছবির অনুরাগী রাজ কাপুরের সঙ্গে বহু আড্ডা দিয়েছেন। সেই সব স্মৃতিই জানালেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়।
চলচ্চিত্র যাঁর প্রেমিকা, প্রাণভোমরা
ভারতীয় সিনেমার প্রেমিকপুরুষ রাজ কাপুরকে নিয়ে লিখছেন চণ্ডী মুখোপাধ্যায়।
কলকাতার সঙ্গে ছিল নাড়ির টান
এই শহরেই কেটেছিল রাজ কাপুরের শৈশব। ফেলে আসা সেই দিনের স্মৃতির কথায় সুমন গুপ্ত।
চারির গোছা
বাইরে থেকেই কান্নাভেজা গলায় চেঁচিয়ে উঠল ফুলি, ‘ও দাদু, দাদু গো, আমার ভুল হয়ে গেচে, আর কিচু বলব না আমি। কিন্তু আমায় তাইড়ে দিলে তোমায় কে দেকবে?'
প্রকৃতি ও ভারত মিশেছে অজন্তায়
ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্যতম দ্রষ্টব্য অজন্তা গুহা। এই গুহার ভাস্কর্য রচনার আগে এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছিল। রূপক ও বাস্তবের সংমিশ্রণে উঠে এল অজন্তা ভাস্কর্যের সেই মায়াময় সূচনা। লিখছেন দেবী প্রসাদ ত্রিপাঠী।