ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে করবেন কী?

ইউরিক অ্যাসিড শরীরে কীভাবে তৈরি হয় ? আমাদের শরীর অসংখ্য কোষ দিয়ে তৈরি। কোষে থাকে নিউক্লিক অ্যাসিড। নিউক্লিক অ্যাসিডের একটি উপাদান হল পিউরিন এবং পাইরিডিন। সব কোষই একটা সময় পরে ধ্বংস হয়। কোষ ধ্বংস হওয়ার পর বিপাকক্রিয়ায় বা মেটাবলিজমের কারণে কোষের নানা অংশ ভাঙতে ভাঙতে অন্য ধরনের উপাদানে পরিণত হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, লোহিত কণিকার মেটাবলিজমের ফলে তৈরি হয় হিম প্রোটিন এবং বিলিরুবিন।
একইরকমভাবে কোষ যখন ধ্বংস হয়, তখন তৈরি হয় পিউরিন। এই পিউরিন ভেঙে শেষপর্যন্ত তা পরিণত হয় ইউরিক অ্যাসিডে। আবার বেশ কিছু খাদ্য থাকে যেগুলির মধ্যে পিউরিন বেশিমাত্রায় থাকে। এমন পিউরিননির্ভর খাদ্যের বিপাকেও দেহে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। সব মানুষেরই শরীরে ইউরিক অ্যাসিড থাকে।
সাধারণত বাড়তি ইউরিক অ্যাসিড ইউরিনের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তবে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে এবং কিডনি সঠিকভাবে শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিড বের করতে না পারলে সেই সমস্যাকে ‘হাইপার ইউরিসিমিয়া' বলা হয়। হাইপার ইউরিসিমিয়া নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা তৈরি করে।
Bu hikaye Sarir O Sasthya dergisinin February 2025 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber ? Giriş Yap
Bu hikaye Sarir O Sasthya dergisinin February 2025 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber? Giriş Yap

আশ্চর্য চিকিৎসকদের দেখেছি সামনে থেকেই!
যেভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হচ্ছে, সেখান থেকে পাশ করা চিকিৎসকদের কি আদৌ গুণমান থাকবে? রোগীরা ইতিমধ্যেই এই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। সত্যিই কি রোগীদের এই ভাবনার কোনও ভিত্তি আছে? উত্তর দিলেন বিশিষ্ট ফিজিশিয়ান ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ। কথা বললেন বিশ্বজিৎ দাস।

মনের রোগে শরীরে ব্যারাম: মনোবিদ রবার্ট অ্যাডার
মনখারাপ হলে শরীরও খারাপ হয়? এমন আবার হয় নাকি? দ্বন্দ্ব লাগাল মনোবিদ রবার্ট অ্যাডারের সঙ্গে বাকি চিকিৎসকদের। তারপর কী হল? লিখেছেন শোভন চন্দ।

ভূদেব মুখোপাধ্যায়
মনীষীদের জীবনচর্চাই চরিত্র গঠনের মস্ত বড় শিক্ষা। এই বিভাগে থাকবে সেইসব সমাজসংস্কারকের অবিশ্বাস্য জীবনদর্শনের কথা। লিখছেন গুঞ্জন ঘোষ।

ছেলেকে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের জয়!’
অটিস্টিক শিশুকে বড় করে সমাজের বুকে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার লড়াই চালান বহু অভিভাবক। সমাজের সব দুস্তর পারাবার পেরিয়ে সেই চেষ্টা ও নিষ্ঠার কথাই উঠে এল এক পিতার কলমে। জানাচ্ছেন সিদ্ধার্থ সেনগুপ্ত।

মনের গভীরে
উত্তর দিয়েছেন অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের কনসালটেন্ট নিউরোসাইকিয়াট্রিস্ট ডাঃ ঈশানী আর চট্টোপাধ্যায়।

ইতিবাচক থাকার খাবারদাবার
পরামর্শে হাওড়ার নারায়ণা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ডায়েটিশিয়ান রাখী চট্টোপাধ্যায়।

মৃত্যুঞ্জয়ী যুবরাজ
বয়স? ফ্যাক্টরই নয় তাঁদের কাছে। স্ট্রেস, টেনশনে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার সময়ে কীভাবে পারেন ফিট অ্যান্ড ফাইন থাকতে? টিপস দিচ্ছেন তারকারা। এবারের ব্যক্তিত্ব যুবরাজ সিং। লিখেছেন সৌরাংশু দেবনাথ।

ডিমেনশিয়া
মনের বিভিন্ন অসুখবিসুখ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ—চেতনা। এবারের বিষয় ডিমেনশিয়া।

মাইগ্রেনের সমাধান
মাথা যন্ত্রণার এই রোগ একপ্রকার দুর্বিষহ। লক্ষণ ও প্রতিকার কী? পরামর্শে বিশিষ্ট নিউরোলজিস্ট ডাঃ তৃষিতানন্দ রায়।

কীভাবে জব্দ কোলেস্টেরল?
পরামর্শে মণিপাল হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ সৌম্যকান্তি দত্ত।