আমার কাছে ঢাকিদের বঞ্চনার প্রতিবাদ একটা আন্দোলনের মতো

উত্তর চব্বিশ পরগনার মসলন্দপুরে জন্ম, বড় হওয়া। সাধারণ পরিবারের গোকুল চন্দ্র দাস যে বিশ্বমঞ্চে বাংলার ঢাককে নিয়ে যাবেন, শুরুতে বোধহয় এতটা ভাবেননি কেউই। দীর্ঘ ৫০ বছরের কেরিয়ারে ব্যক্তিগত সম্মান পেয়েছেন অসংখ্য। কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল, ঢাকিদের প্রতি সাধারণ সমাজের অবহেলা, বঞ্চনার যোগ্য উত্তর যেন হয়ে উঠেছে তাঁর সাফল্য। পদ্মশ্রী পেয়ে কেমন লাগছে? “খবরটা জানার পর এত আনন্দ হয়েছে যে ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমি গর্বিত, আপ্লুত। ভারত সরকার বাংলার ঐতিহ্যপূর্ণ একটি যন্ত্র ও তার বাদককে নিয়ে ভেবেছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। রাজ্য সরকারের কাছেও কৃতজ্ঞ, কারণ রাজ্য থেকে নাম না পাঠালে হয়তো এত কিছু হতই না,” বললেন তিনি। শুরু হল কথোপকথন...
বেড়ে ওঠা ঢাকের সঙ্গেই গ্রামে অনেকেই ঢাক বাজাতেন। গোকুল চন্দ্র দাসের পরিবারেও ঢাকের পরম্পরা ছিল। “চার-সাড়ে চার বছর বয়সে বাবার (মতিলাল দাস) কাছে ঢাকে হাতেখড়ি। বাবার সঙ্গে নানা জায়গা ঘুরে ঢাক বাজাতাম। বাবা হাতে ধরে শেখাতেন। মসলন্দপুরে শুধু আমাদের পরিবারই নন, দূর সম্পর্কের কাকাদের পরিবারও ঢাক বাজাত। আট-দশজনের একটা দল ছিলাম আমরা। প্রথম ঢাক বাজাই সাত বছর বয়সে। উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায় এক কালীপুজোয় বাজিয়েছিলাম সে বার। প্রচুর ভিড় জমে গিয়েছিল। কিন্তু আমি এত ছোট যে লোকে দেখতেই পাচ্ছিলেন না! কাকা (কৃষ্ণ দাস) আমাকে ঢাক সমেত কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন,” হাসতে হাসতে বললেন তিনি। তবে রক্তে ঢাক থাকলেও পেশা হিসেবে ঢাককেই বেছে নেবেন, তেমন ভাবনা শুরুতে ছিল না। “আসলে, তখন সারা বছর ঢাকিদের কাজ থাকত না। ফলে উপার্জনের জন্য নানা রকম কাজ করেছিলাম। কিন্তু কোনওটাই স্থায়ী হয়নি। কোথাও একদিন কাজ করতে গিয়েছি তো পাঁচদিন যাইনি। কিন্তু ঢাক সর্ব ক্ষণ সঙ্গী হয়ে থেকেছে,” বললেন তিনি। জানালেন, ঢাকের সঙ্গেই ৫০ বছর পার করে ফেলেছেন!
この記事は SANANDA の February 15, 2025 版に掲載されています。
7 日間の Magzter GOLD 無料トライアルを開始して、何千もの厳選されたプレミアム ストーリー、9,000 以上の雑誌や新聞にアクセスしてください。
すでに購読者です ? サインイン
この記事は SANANDA の February 15, 2025 版に掲載されています。
7 日間の Magzter GOLD 無料トライアルを開始して、何千もの厳選されたプレミアム ストーリー、9,000 以上の雑誌や新聞にアクセスしてください。
すでに購読者です? サインイン

নো ডে উইদআউট আ লাইন
পরেশ মাইতি ও জয়শ্রী বর্মণের জীবন জুড়ে রয়েছে রং আর তুলি। যদিও তুলির টানে, রঙের রেখায় তাঁদের দুই মেরুতে অবস্থান। কিন্তু মিলে যান অন্তরের আহ্বানে। তাঁদের সঙ্গে কথোপকথনে পারমিতা সাহা।

দাম্পত্যের মন
একে দাম্পত্য, তার উপর আবার মন— - জটিলতা তো থাকবেই! মনস্তত্ত্বের সেই বহুবিধ ও বহুস্তরীয় জটিলতা ও পরিবর্তনের ঢেউ নিয়ে আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা। লিখছেন পৃথা বসু ও উপমা মুখোপাধ্যায়।

প্রাসাদে ন্যুব্জ নগরী!
কলকাতা শহরে বহুতল হেলে পড়ার নেপথ্যের কারণ কী? আগামী দিনে সত্যিই কি বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে এই শহর? আলোচনায় ভূবিজ্ঞানী ও গবেষক ড. সুজীব কর। লিখছেন পৃথা বসু।

গিয়ে বারে সিনড্রোম
দেশ জুড়ে আতঙ্কের নয়া নাম ‘গিয়ে বারে’ বা জিবি সিনড্রোম। চিকিৎসার সম্পূর্ণ গাইডলাইন দিচ্ছেন বিশিষ্ট কনসালট্যান্ট ফিজ়িশিয়ান ডা. নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। লিখছেন অনিকেত গুহ।

রুমমেটের সঙ্গে সমকামী সম্পর্ক
সম্পর্কে জড়ানো হোক বা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা, প্রতিটা সিদ্ধান্তই ভেবেচিন্তে নিন।

রূপ রুটিনের নয়া ট্রেন্ড ‘স্লাগিং’
বর্তমানে সমাজ মাধ্যমের এক অতি পরিচিত ট্রেন্ড, স্লাগিং । বিশদে আলোচনা করলেন রূপ বিশেষজ্ঞ মৌসুমী মিত্র। লিখছেন পৃথা বসু।

নিশিগন্ধা-অরণ্য কাহিনি
অরণ্যের ঘরে ঢুকে নিশিগন্ধা থ মেরে যায়। ও যেন এক রঙিন স্বপ্নের মায়া জগতে প্রবেশ করেছে। ঘরের মধ্যে রাখা উল্টো দিকের ইজেল থেকে হরেক রঙের বাহারে আর এক নিশিগন্ধা ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে। ওর গজ দাঁতটাও কী জীবন্ত! কী অপূর্ব রঙের কাজ! অনেক আদরে সোহাগে নিখুঁত ভাবে বোলানো হয়েছে প্রতিটা তুলির টান।

দাম্পত্য সন্তান, সমীকরণ
স্বামী-স্ত্রী-সন্তান, দাম্পত্যনামার এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সন্তানলাভের পরেও কি অটুট থাকে দাম্পত্যের রসায়ন? সম্পর্কের ব্যতিক্রমী প্রবাহে কতটা ‘সুখী’ হয় দাম্পত্যজীবন? বোঝার চেষ্টায় অনিকেত গুহ।

জঙ্গল, পাহাড় এবং নদীর সঙ্গম
এমনই এক জায়গা চিতওয়ান ন্যাশনাল ফরেস্ট। নেপালের বুকে যেন এক টুকরো সবুজ স্বর্গ। সেখানে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করলেন পারমিতা সাহা।