ঘোর বর্ষায় অধিকাংশ রিজার্ভ ফরেস্টের কোর জোন যখন বন্ধ ঘো থাকে, তখন দরজা খোলা নাগারহোলে টাইগার রিজার্ভের একদম দক্ষিণ প্রান্তে, কাবিনি রিজার্ভ ফরেস্টের। বেঙ্গালুরু এয়ারপোর্ট থেকে ঘণ্টা পাঁচেকের রাস্তা। যাওয়ার পথে পড়বে মহীশূর প্যালেস, সময় থাকলে দেখে নেওয়া যায়।
এই নিয়ে চতুর্থ বার বর্ষায় কাবিনিতে এলাম। চার দিকে সবুজের সমারোহ, বুক ভর্তি করে সতেজ বাতাস নিলাম। আমাদের থাকার ব্যবস্থা কাবিনি রিভার লজে, সুবিশাল জলাধারের ঠিক গা ঘেঁষে। উলটো দিকে বন্দিপুরের জঙ্গল, মাঝেমধ্যে হাতির দল এদিক-ওদিক করে। বাঘ ছাড়াও প্রায় ৪০-৫০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী
আছে, আর আছে আড়াইশোর বেশি প্রজাতির পাখি। ব্যাগপত্র ঘরে রেখে স্নান সেরে চলে এলাম গোলঘরে, সেখানেই খাওয়ার ব্যবস্থা । আমিষ-নিরামিষ মিলিয়ে প্রায় পনেরো রকমের সুস্বাদু পদ। বেলা তিনটে নাগাদ গোলঘরে চা-পান পর্ব সেরে বিকেলের সাফারির জন্য জিপসিতে ওঠা হল। জিপসির ছাদ ঢাকা। ধূসর মেঘেরা নেমে আসছে কাবিনি জলাধারের উপর। তারই মধ্যে হাতির পাল নিঃশব্দে জঙ্গলের রাস্তা পেরোচ্ছে। অপূর্ব দৃশ্য! হস্তিশাবকদের মা-মাসিরা তাদের বৃষ্টি থেকে আগলানোর চেষ্টা করছে। কয়েকশো চিতল আর সম্বর গাছের নীচে দাঁড়িয়ে ধারাস্নানে মত্ত। গাছের ডালে বসা একটা ক্রেস্টেড সার্পেন্ট ঈগল সেদিকে তাকিয়ে ডানা ঝাপটে জল ঝাড়তে থাকল। একটা ক্রেস্টেড হক ঈগলও জিরিয়ে নিচ্ছে, কিন্তু চোখদু’টি সজাগ। আর-এক দিকে একটি ময়ূর পেখম মেলে নাচে মাতোয়ারা! প্রথম দিনের সাফারিতে বাঘের দেখা না পেলেও প্রকৃতির রূপে মন মজল । পরদিন 'এ'-জোন ঘুরে দেখার পালা। সকাল ছ'টা বাজতেই একে একে সব জিপসি রওনা হল। কিছুক্ষণ এদিক-ওদিক চক্কর কাটার পর হঠাৎ জিপসি চালক উত্তেজিত স্বরে ফিসফিস করে বললেন, ‘টাইগার'
আমাদের জিপসির সামনে দিয়ে রাস্তা পার করে সামনের ছোট নালায় জল খেতে এল এক কিশোর বাঘ, জল খাওয়া শেষ হলে চার পা আকাশের দিকে তুলে ঘাসের উপরে গড়াগড়ি দিল, তারপর আরও নানা অঙ্গভঙ্গি করে মিলিয়ে গেল ঘন ঝোপের মধ্যে। সে সময় আমাদের আশপাশে আর কোনও গাড়ি নেই। সে যেন কেবল আমাদের দেখা দেবে বলেই এসেছিল!
Bu hikaye Bhraman dergisinin May 2024 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber ? Giriş Yap
Bu hikaye Bhraman dergisinin May 2024 sayısından alınmıştır.
Start your 7-day Magzter GOLD free trial to access thousands of curated premium stories, and 9,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber? Giriş Yap
শাতের মেলা-পার্বণ
গুজরাত পর্যটন বিভাগ প্রতি বছর রণ উৎসব বা হোয়াইট ডেজার্ট ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করে। কচ্ছ জেলার ধরদো গ্রামে এই উৎসব হয়। বিশেষ করে পূর্ণিমার রাতে সাদা মরুভূমির অপরূপ সৌন্দর্য দেখার জন্য পর্যটকের ভিড় বেড়ে যায়। বিলাসবহুল তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা এবং গুজরাতি লোকনৃত্য, লোকসংগীত, চিত্রকলা ও প্রাদেশিক খাবারের সমারোহ এই উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ।
শীতের দিনে সপ্তাশেষে
/ গোবর্ধনপুর / গোপালপুর / আদিত্যপুর / পুরুলিয়ার টিকড়টাঁড়ের আড়াল কানালি /কুকি ড্যাম /জাজাহাতু /মাছকান্দা ঝরনা
তুষারচিতার খোঁজে শীতের স্পিতি উপত্যকায়
শীতে খাবারের খোঁজে স্নো-লেপার্ডরা নেমে আসে হিমাচলের স্পিতি উপত্যকায়। বরফজমা উপত্যকায় এ-সময় আরও নানা বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। এবছরের ফেব্রুয়ারি মাসের অভিজ্ঞতা।
শীতে সাত সমুদ্রে
/কারোয়ার / দেববাগ / মাইপাড়ু /কোভালম / ভারকালা / লাক্ষাদ্বীপ / হ্যাভলক
ওরিয়া উৎসবে ওয়াক্কা
শীতের শেষে অরুণাচলের অচিন গ্রাম ওয়াক্কা মেতে ওঠে ওরিয়া উৎসবে। এবারের ওরিয়া উৎসব ১৬ ফেব্রুয়ারি।
শীতের কাজিরাঙা
কাজিরাঙার রোমাঞ্চময় জঙ্গলে মিঠে রোদে ঠান্ডা হাওয়ায় অপরূপ নিসর্গের মাঝে গন্ডার, হুলক গিবন, বাঘ, হাতি, বুনো মহিষ আর অসংখ্য পাখি দেখার আনন্দ পেতে চাইলে যেতে হবে শীতেই। মস্ত বড় এলিফ্যান্ট গ্রাসের আড়ালে হাতিও তখন ঢাকা পড়ে যায়।
শীতের কাশ্মীরে সাধনা টপ
শীতেই চলুন শীতের দেশে। শীতের আনন্দ সেখানেই। শীতের কাশ্মীরে চেনা পথে যদি বরফ না পান, চলে যেতে পারেন অল্পচেনা সাধনা টপে।
শীতের পাখি দেখতে কুমায়ুন থেকে গাড়োয়াল
গাড়োয়াল আর কুমায়ুন পাহাড় এমনিতেই হিমালয়ের পাখিদের স্বর্গরাজ্য। শীতে বেশি উচ্চতার পাখিরাও নেমে আসে সাততাল, মানিলা, মকুমঠ, চোপতা, তুঙ্গনাথে। শীতের পাহাড় পাখি-দেখিয়েদেরও স্বর্গ।
জিঞ্জি দুর্গ দেখে পিছাভরম
জেনে রাখুন পিছাভরমে সংকীর্ণ খাঁড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে চাইলে এবং গহীন অরণ্যের স্বাদ নিতে হলে হাতে দাঁড় টানা ছোট নৌকা সবচেয়ে উপযোগী। এটি অনেকটা ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। বড় নৌকার ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। /৪৫ মিনিটের জন্য চারজনের ক্ষেত্রে ছোট দাঁড় টানা নৌকার খরচ ৪০০ টাকা এবং ৮ জনের মোটর বোটে টিকিট মূল্য ৮০০ টাকা। / কাদিয়াম্পালয়াম গ্রাম থেকে প্রাইভেট ফিশিং বোটে নৌসফর করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন: আনবো ৯৭৮৬৭-৬7287
জমাট শীতে উত্তরবঙ্গের গ্রামে গ্রামে
সবুজ চা-বাগানে ঘেরা নিস্তরঙ্গ গ্রাম, ফলে ভরা কমলালেবু বাগান, বৃষ্টি ধোয়া আকাশে হেসে ওঠা কাঞ্চনজঙ্ঘা, ডিসেম্বরের জমাট শীতে উত্তরবঙ্গের ভ্রমণকথা।